Text size A A A
Color C C C C
পাতা

কী সেবা কীভাবে পাবেন

পরিবেশ অধিদপ্তর নিয়মিতভাবে যে সকল কার্যμম পরিচালনা করছে সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলোঃ

 

  •  শিল্প প্রতিষ্ঠানের দূষণ জরীপ, দূষণকারী শিল্প প্রতিষ্ঠান চিহ্নিতকরণসহ দূষণ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে উদ্বুদ্ধ/বাধ্য করা এবং প্রয়োজনঅনুসারে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন এবং বিধি লঙ্ঘনকারী ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা ও পরিবেশ আদালতে মামলা দায়েরের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ;

 

  •  নতুন স্থাপিতব্য বা বিদ্যমান শিল্প কারখানার/প্রকল্পের আবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষাপূর্বক  পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রদান;

 

  • সরকারী ও বেসরকারী সংস্থা ও ব্যক্তি পর্যায়ে গৃহিত উন্নয়ন কার্যμমের পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ (ইআইএ) প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদন এবং ইআইএ সম্পনড়ব করার বিষয়ে পরামর্শ প্রদান;

 

  •  পরিবেশ দূষণ সংμান্ত অভিযোগ গ্রহণ এবং তা তদন্তের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা, নির্বিচারে পাহাড় কর্তন রোধ, যানবাহন  জরিপ এবং দূষণকারীযানবাহনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালন

 

 

  •  বায়ু ও পানির গুণগত মান পরিবীক্ষণ, গবেষণাগারে বায়ু, পানি ও তরল বর্জ্যের নমুনা বিশ্লেষণ;

 

  • দেশের বিভিন্ন এলাকার পুকুর, টিউবওয়েল ও খাবার পানির গুনগতমান নির্ণয়ের জন্য নিয়মিত নমুনা সংগ্রহ, বিশ্লেষণ, ডাটা সংরক্ষণ ও প্রতিবেদন প্রেরণ;

 

 

  •  পরিবেশ সংμান্ত বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক কনভেনশন, চুক্তি ও প্রোটোকলের দেশীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাধ্যবাধকতাপ্রতিপালনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ;

 

  •  জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব মোকাবেলায় জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কার্যμম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন।

 

  •  দেশের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জীবনিরাপত্তার ক্ষেত্রে কার্যμম গ্রহণ;

 

  •  বিষাক্ত এবং বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থের আমদানি, পরিবহন, ব্যবহার, ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণে কার্যμম গ্রহণ;

 

  •  ওজোনস্তর ক্ষয়কারী দ্রব্যসামগ্রী নিয়ন্ত্রণ;

 

  •  পরিবেশগত সংকটাপনড়ব এলাকায় জনগণের অংশগ্রহণে টেকসই জীববৈচিত্র্য ব্যবস্থাপনায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ;

পরিবেশ বিষয়ে গণসচেতনতা সৃষ্টি এবং পরিবেশ বিষয়ক তথ্য সকলের কাছে সহজলভ্য করার লক্ষ্যে প্রচার কার্যμম পরিচালনা এবং পরিবেশসংμান্ত গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক দিবসসমূহ যথাযথ মর্যাদায় উদ্যাপন;

 সময় সময়ে পরিবেশগত অবস্থানচিত্র প্রণয়ন (স্টেট অব এনভায়রনমেন্ট রিপোর্ট) ও বিতরণ;

পরিবেশ সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় জনগণের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন

    সামাজিক/সাংস্ক„ৃতক/অর্থনৈতিক গোষ্ঠীর সাথে অংশীদারিত্বমূলককার্যμম প্রতিষ্ঠা;

পরিবেশগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিভিন্ন প্রকল্প এবং গবেষণাকর্ম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন;

 

  • নিষিদ্ধ ঘোষিত (পুরুত্ব ৫৫ মাইক্রোন এর নিম্নে) পলিথিন শপিং ব্যাগ উৎপাদন ও বাজারজাতকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ;
  • সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে গৃহীত বিভিনড়ব প্রকল্প/উদ্যোগ পর্যালোচনা ও মূল্যায়নপূর্বক পরিবেশগত মতামত প্রদান;
  • পরিবেশ সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে সক্ষমতা তৈরীর লক্ষ্যে বিভিনড়ব প্রশিক্ষণ,   কর্মশালা, মতবিনিময় সভা, ইত্যাদি আয়োজন ;
  •  দেশের প্রায় সকল মন্ত্রণালয় এবং তার অধীনস্থ দপ্তরসমূহসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন কমিটির সদস্য

           হিসেবে সμμয় ভূমিকা পালন।